Welcome To আল-রশিদীয়া কিন্ডার গার্টেন

মান সম্মত শিক্ষাই আমাদের অঙ্গীকার

“ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুরই অন্তরে।” আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। শিশুর মধ্যে লুকিয়ে থাকে অফুরন্ত সম্ভাবনা। আর এই সম্ভাবনার পূর্ণবিকাশই শিশুকে যোগ্য ভবিষ্যৎ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারে। শিশুমন সংবেদনশীল এবং কাঁদা মাটির মত নরম। একে যে আকৃতিই দেয়া হোক সেটিই স্থায়ী রূপ পাবে। তাই শিশু মনের পরিপূর্ণ ও সুষ্ঠ বিকাশের লক্ষ্যে জার্মান শিক্ষাবিদ ফ্রোয়েবল প্রতিষ্ঠা করেন “কিন্ডারগার্টেন” নামে শিশু-মনের বিকাশ সাধক বিদ্যালয়। মহান এই সাধকের নীতিকে সামনে রেখে সর্বাধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষার কলা-কৌশলের সাথে শিশুদের সম্পৃক্ত করার জন্য আমরা গড়ে তুলেছি একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান “আল-রশিদীয়া কিন্ডারগার্টেন”। 

প্রাথমিক স্তর, যেখানে শিক্ষার ভিত রচিত হয়, সেখান থেকেইে শিক্ষার মান ও শিক্ষার্থীর মাঝে লুকায়িত প্রতিভার বিকাশ ঘটানোর লক্ষ্যে “আল-রশিদীয়া কিন্ডারগার্টেন” একটি স্বতঃস্ফুর্ত ও সযত্ন প্রয়াস।

মনোরম পরিবেশে সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরায় নিরাপত্তায় ঘেরা আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, চমৎকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ও স্কুল সংলগ্ন বিশাল খেলার মাঠ সম্বলিত প্রতিষ্ঠানটি স্বকীয়তার অভিভাবক ও এলাকার সুধীজনদের নিকট পরিচিত ও খ্যাতি লাভ করেছে সময়ের সেরা প্রতিষ্ঠান হিসেবে। 

আমাদের সততা, আন্তরিকতা এবং আপনার সন্তানের প্রতি দায়বদ্ধতায় অত্র প্রতিষ্ঠানের উপর সম্পূর্ণ আস্থা রেখে আপনার আদরের সন্তান/পোষ্যকে অত্র প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করাতে পারেন।

 

অধ্যক্ষ

মোঃ রাজু আহমেদ

আল-রশিদীয়া কিন্ডারগার্টেন

Why Should you Choose আল-রশিদীয়া কিন্ডার গার্টেন?

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ
ক) পাঠ্য বিষয় ও পাঠ্য বিষয় বহির্ভূত যে কোন শিক্ষণীয় বিষয়ের প্রতি শিক্ষার্থীকে আগ্রহী করে গড়ে তোলা। 
খ) শিক্ষার্থীর ব্যক্তিত্ব ও তার মাঝে লুকায়িত প্রতিভার বিকাশ ঘটানো। 
গ) প্রতিটি শিক্ষার্থীর মাঝে স্বাবলম্বীতা, শৃংখলা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, দায়িত্ববোধ ও নৈতিকতা জাগ্রত করা। 
ঘ) প্রতিযোগিতামূলক যে কোন পরীক্ষায় সফলতা লাভের উপযোগী করে গড়ে তোলা। 
ঙ) ইংরেজি বিষয়ে অধিক পারদর্শী করে গড়ে তোলা।
 

বৈশিষ্ট্যঃ
ক) আদর্শবান, ন্যায়নিষ্ঠ, প্রজ্ঞাবা, উচ্চ শিক্ষিত, স্মার্ট ও প্রতিশ্রুতিশীল শিক্ষক-শিক্ষিকার তত্ত্বাবধানে শিক্ষা দান।
খ) হাতের লেখা সুন্দর করা ও গতি বাড়ানোর এবং সঠিক উচ্চারণ শিখিয়ে দ্রুত লিখনে পারদর্শী করে তোলার বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া। 
গ) শ্রেণীকক্ষে অধিকাংশ পড়া আদায় করে নেয়া। 
ঘ) প্রতি সপ্তাহে বিশেষ অডিটের মাধ্যমে সাপ্তাহিক সিলেবাস পুরণ। 
ঙ) অত্র প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে খুব সহজেই শহরের নামী দামী স্কুলে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়ে থাকে।  
চ) এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।
ছ) কর্ম দিবসের হোমওয়ার্ক ডায়েরিতে লিখে দেয়া হয়।

Our Teachers